
কুয়েতের আকাশে মার্কিন বিমান ধ্বংস, দাড়িয়েছে বন্ধুত্বের গুলি

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ অভিযানের তৃতীয় দিনে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছে। গত রোববার (১ মার্চ) কুয়েতের আকাশে আছড়ে পড়ে তিনটি মার্কিন এফ-১৫ স্ট্রাইক ইগল যুদ্ধবিমান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে এই বিপত্তি ঘটেছে। তবে পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, কুয়েতের নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভুলের কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
অত্যাধুনিক এই যুদ্ধবিমানগুলোর সব ক্রু সদস্যকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ওয়াশিংটন। এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম দাবি করেছে যে, তারাই কুয়েতে অবস্থানরত মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলোকে লক্ষ্য করেছিল। বর্তমান বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এফ-১৫ ফাইটার জেটকে কখনো শত্রুপক্ষ ভূপাতিত করতে পারেনি। এটি শব্দের চেয়েও আড়াই গুণ বেগে উড়তে সক্ষম এবং এর যুদ্ধক্ষেত্রের সাফল্যের হার শতভাগ।
সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কুয়েতের হাতে থাকা আমেরিকান প্যাট্রিয়ট মিসাইল ব্যবস্থার কারণেই এমনটা ঘটেছে। ইরানের হামলা মোকাবিলায় মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি মার্কিন প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল। তবে এবার সেই ব্যবস্থার ছোবলেই নিজেদের বিমান হারালো যুক্তরাষ্ট্র। ঘটনার কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

কুয়েতের আকাশে মার্কিন বিমান ধ্বংস, দাড়িয়েছে বন্ধুত্বের গুলি

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ অভিযানের তৃতীয় দিনে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছে। গত রোববার (১ মার্চ) কুয়েতের আকাশে আছড়ে পড়ে তিনটি মার্কিন এফ-১৫ স্ট্রাইক ইগল যুদ্ধবিমান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে এই বিপত্তি ঘটেছে। তবে পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, কুয়েতের নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভুলের কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
অত্যাধুনিক এই যুদ্ধবিমানগুলোর সব ক্রু সদস্যকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ওয়াশিংটন। এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম দাবি করেছে যে, তারাই কুয়েতে অবস্থানরত মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলোকে লক্ষ্য করেছিল। বর্তমান বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এফ-১৫ ফাইটার জেটকে কখনো শত্রুপক্ষ ভূপাতিত করতে পারেনি। এটি শব্দের চেয়েও আড়াই গুণ বেগে উড়তে সক্ষম এবং এর যুদ্ধক্ষেত্রের সাফল্যের হার শতভাগ।
সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কুয়েতের হাতে থাকা আমেরিকান প্যাট্রিয়ট মিসাইল ব্যবস্থার কারণেই এমনটা ঘটেছে। ইরানের হামলা মোকাবিলায় মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি মার্কিন প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল। তবে এবার সেই ব্যবস্থার ছোবলেই নিজেদের বিমান হারালো যুক্তরাষ্ট্র। ঘটনার কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…