
কাতারের রাস লাফানে ইরানি ড্রোন হামলা, ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন চলছে

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেল কাতারের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনায় ইরানি ড্রোন হামলার ঘটনায়। সোমবার (২ মার্চ) কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির শিল্পনগরী রাস লাফান এবং মেসাইয়েদে অবস্থিত দুটি স্থাপনায় এই ড্রোন আক্রমণ চালানো হয়। তবে এই হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানা যায়, মেসাইয়েদ অঞ্চলে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পানির ট্যাঙ্কে একটি ড্রোন আঘাত হানে। অপরদিকে, রাস লাফান শিল্প নগরীতে অবস্থিত কাতার এনার্জির মালিকানাধীন একটি জ্বালানি স্থাপনায় অন্য আরেকটি ড্রোন হামলা করে। এই দুই স্থানেই ড্রোনগুলো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম হয়েছে।
ঘটনার পর থেকেই ওই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বর্তমানে হামলায় সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ করছে। কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি পরবর্তী আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ সম্পর্কে খুব শীঘ্রই একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

কাতারের রাস লাফানে ইরানি ড্রোন হামলা, ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন চলছে

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেল কাতারের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনায় ইরানি ড্রোন হামলার ঘটনায়। সোমবার (২ মার্চ) কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির শিল্পনগরী রাস লাফান এবং মেসাইয়েদে অবস্থিত দুটি স্থাপনায় এই ড্রোন আক্রমণ চালানো হয়। তবে এই হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানা যায়, মেসাইয়েদ অঞ্চলে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পানির ট্যাঙ্কে একটি ড্রোন আঘাত হানে। অপরদিকে, রাস লাফান শিল্প নগরীতে অবস্থিত কাতার এনার্জির মালিকানাধীন একটি জ্বালানি স্থাপনায় অন্য আরেকটি ড্রোন হামলা করে। এই দুই স্থানেই ড্রোনগুলো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম হয়েছে।
ঘটনার পর থেকেই ওই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বর্তমানে হামলায় সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ করছে। কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি পরবর্তী আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ সম্পর্কে খুব শীঘ্রই একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…