মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসনের মুখে ইরান এখন নিজেদের শক্তিশালী সামরিক সামগ্রী দিয়ে জবাব দিচ্ছে। দেশটির হাতে থাকা বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার এবং আধুনিক ড্রোন বাহিনী মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানতে সক্ষম, যা আন্তর্জাতিক পরিসরে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই অঞ্চলে ইরানের কাছেই সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় মিসাইল ব্যবস্থা বর্তমান।
স্বল্প পাল্লার হামলার জন্য ইরানের কাছে ‘জুলফিকার’, ‘কিয়াম-১’ এবং ‘শাহাব-১/২’-এর মতো ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। ২০২০ সালে জেনারেল কাসেম সোলাইমানি হত্যার পাল্টা জবাবে ইরাকের আইন আল-আসাদ ঘাঁটিতে এসব মিসাইল ব্যবহার করে সফলতা দেখিয়েছে তেহরান। এছাড়া দেড় থেকে দুই হাজার কিলোমিটার পাল্লার ‘শাহাব-৩’, ‘সেজ্জিল’ ও ‘খোররামশহর’ মিসাইল ইসরাইল ছাড়াও সৌদি আরব ও পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোর জন্য হুমকি। বিশেষ করে সলিড ফুয়েলের ‘সেজ্জিল’ মিসাইল খুব দ্রুত মোতায়েন করা যায়, যা যুদ্ধের ভাগ্য বদলে দিতে পারে।
রাডার ফাঁকি দিয়ে আঘাত হানতে সক্ষম ‘সুমার’ ও ‘পাভেহ’-এর মতো ক্রুজ মিসাইল এবং স্বল্প খরচের ড্রোন বাহিনীও তাদের সংগ্রহে রয়েছে। তাছাড়া ‘ফাত্তাহ’ সিরিজের হাইপারসনিক মিসাইল ও মাটির নিচে তৈরি ‘মিসাইল সিটি’ বা বাঙ্কারগুলো ইরানকে যেকোনো শক্তিশালী আগ্রাসনের মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ করার সক্ষমতা দিয়েছে।
সম্পাদক: রাশিদা খাতুন
লালমাটিয়া হাউজিং স্টেট, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা–১২০৭, বাংলাদেশ।
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © ২০২৬ প্রাইম বার্তা