খামেনি হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানে রক্তক্ষয়, নিহত বেড়ে ২৩
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। রোববার (১ মার্চ) দেশটির বিভিন্ন শহরে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় করাচি, ইসলামাবাদ ও স্কারদুসহ বিভিন্ন স্থানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশ কিছু হতাহতের ঘটনা ঘটে।
সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয় করাচিতে। সেখানে শত শত বিক্ষোভকারী মার্কিন কনস্যুলেটে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এসময় দফায় দফায় সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে অন্তত ১০ জন নিহত হন এবং ৭০ জনের বেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া রাজধানী ইসলামাবাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করতে হয়েছে পুলিশকে। স্কারদুতে বিক্ষুব্ধ জনতা জাতিসংঘের একটি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করেছে। লাহোরেও হাজার হাজার মানুষ রাজপথে নেমে এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য তাদের নাগরিকদের পাকিস্তানে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপ্রধানকে হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানের জনগণ ইরানের শোকাহত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। এদিকে, বিভিন্ন ধর্মীয় ও রাজনৈতিক দল খামেনিকে শহীদ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

