
ইরানের আইআরজিসি সদর দপ্তর ধ্বংস, শীর্ষ কমান্ডার নিহতের দাবি

ইরানের সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্যে চলমান যুদ্ধের দ্বিতীয় দিনে দেশটির সবচেয়ে শক্তিশালী বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর (আইআরজিসি) সদর দপ্তর ধ্বংস করার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল। সোমবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ও ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী পৃথক বিবৃতিতে জানায়, এই হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ ও আইআরজিসি কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌর নিহত হয়েছেন।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড জানিয়েছে, গত ৪৭ বছরে হাজারের বেশি মার্কিন সেনা হত্যার প্রতিশোধ নিতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। তাদের ভাষ্যমতে, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনীর হামলায় আইআরজিসির কাছে আর কোনো সদর দপ্তর অবশিষ্ট নেই। অন্যদিকে, ইসরায়েলি বাহিনী জানায়, তারা শুধু মূল সদর দপ্তর নয়, গোয়েন্দা বিভাগ, বিমান বাহিনীর নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর ওপরও আক্রমণ চালিয়েছে।
ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, ইরানের জঙ্গি শাসকদের সামরিক অবকাঠামো ও যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বিবৃতিতে তেল আবিব স্পষ্ট করে জানায়, তারা ইরানি শাসকদের অনুগত সকল সামরিক স্থাপনাই ধ্বংসে বদ্ধপরিকর।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

ইরানের আইআরজিসি সদর দপ্তর ধ্বংস, শীর্ষ কমান্ডার নিহতের দাবি

ইরানের সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্যে চলমান যুদ্ধের দ্বিতীয় দিনে দেশটির সবচেয়ে শক্তিশালী বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর (আইআরজিসি) সদর দপ্তর ধ্বংস করার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল। সোমবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ও ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী পৃথক বিবৃতিতে জানায়, এই হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ ও আইআরজিসি কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌর নিহত হয়েছেন।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড জানিয়েছে, গত ৪৭ বছরে হাজারের বেশি মার্কিন সেনা হত্যার প্রতিশোধ নিতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। তাদের ভাষ্যমতে, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনীর হামলায় আইআরজিসির কাছে আর কোনো সদর দপ্তর অবশিষ্ট নেই। অন্যদিকে, ইসরায়েলি বাহিনী জানায়, তারা শুধু মূল সদর দপ্তর নয়, গোয়েন্দা বিভাগ, বিমান বাহিনীর নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর ওপরও আক্রমণ চালিয়েছে।
ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, ইরানের জঙ্গি শাসকদের সামরিক অবকাঠামো ও যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বিবৃতিতে তেল আবিব স্পষ্ট করে জানায়, তারা ইরানি শাসকদের অনুগত সকল সামরিক স্থাপনাই ধ্বংসে বদ্ধপরিকর।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…