তেহরানে নিজ দপ্তরে হামলায় নিহত খামেনি, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
তেহরানে নিজ কার্যালয়ে ডিউটি করার সময় মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। গতকাল শনিবার ভোরে এই হামলা চালানো হয়, যাতে লিডারশিপ হাউসের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শহীদ হওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি সেখানে কর্মরত ছিলেন। বিবিসি ভেরিফাইয়ের স্যাটেলাইট চিত্রেও তার কার্যালয়ের ধ্বংসস্তূপ স্পষ্টভাবে দেখা গেছে।
এই হামলার দায় স্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, ইতিহাসের অন্যতম নিষ্ঠুর ব্যক্তি খামেনি আর নেই। তিনি জানান, অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং সিস্টেম ব্যবহার করে ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। একইসঙ্গে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এটাই তাদের দেশকে ফিরে পাওয়ার সুযোগ, আর যুদ্ধ না করে তারা ক্ষমা চাইতে পারেন। অন্যথায় মৃত্যু ছাড়া আর কিছুই অপেক্ষা করছে না তাদের জন্য।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, এই ঘটনা প্রমাণ করে যে খামেনিকে নিয়ে লুকিয়ে থাকার গুজব ছড়ানো হয়েছিল শত্রুপক্ষের মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের অংশ হিসেবে। অপরদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের এই ভারী বিমান হামলা অব্যাহত থাকবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তার দাবি, মাত্র একদিনের হামলায় ইরান ব্যাপকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে।

